protichinta
book

পুরনো সংখ্যা দেখতে চাইলে

  • সম্পাদকীয়
  • পুঁজিবাদী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ভঙ্গুর চিত্রটি সাম্প্রতিক কালে বারবার সামনে চলে এসেছে। ফরাসি অর্থনীতিবিদ থমাস পিকেটি তাঁর একবিংশ শতকে পুঁজি গ্রন্থে বর্তমানকালে পুঁজিবাদী অর্থনীতিরই শুধু সমালোচনা করেননি, কার্ল মার্ক্সের অনেক মতামত প্রসঙ্গেও ভিন্নমত পোষণ করেছেন। সেই বিবেচনায় পুঁজিবাদের সমালোচনা করার ক্ষেত্রে পুঁজিবাদ পাঠের পাশাপাশি মার্ক্সবাদের পাঠকে সঠিকভাবে উপস্থাপন অত্যাবশ্যকীয়। এম এম আকাশ তাঁর প্রবন্ধে মার্ক্স থেকে পিকেটি পর্যন্ত…বিস্তারিত
  • অর্থনীতি
  • এম এম আকাশ
    সারসংক্ষেপ মার্ক্স-সমর্থক ও মার্ক্সবিরোধী উভয় দলই কার্ল মার্ক্সকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে। মার্ক্সের দর্শনকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সুষ্ঠু মার্ক্সপাঠ অত্যাবশ্যকীয়। মার্ক্সের অন্যতম কৃতিত্ব হলো তাঁর পুঁজি গ্রন্থ, যার ভেতর দিয়ে তিনি পুঁজির বিকাশ ও এর মধ্যে অন্তর্নিহিত বিনাশের উপাদানগুলো ব্যাখ্যা করেছেন। এ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা যেমন প্রয়োজন, তেমনি বর্তমান যুগকে মাথায় রেখে পুঁজির পরিবর্তনগুলোয় নজর দেওয়া জরুরি। অনেকগুলো পরিবর্তনের মধ্যে…বিস্তারিত
  • দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক
  • মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    সারসংক্ষেপ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক স্থলসীমা চুক্তিটি দীর্ঘ ৪১ বছর পর ২০১৫ সালের মে মাসে ভারতের পার্লামেন্টের অনুসমর্থন পেল। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিতকরণ, অপদখলীয় ভূমি হস্তান্তর ও ছিটমহল বিনিময়সহ সীমান্ত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাংলাদেশ সে বছরই চুক্তিটি পার্লামেন্টে অনুসমর্থন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সেই অনুসমর্থনের কাজটি করতে ভারত সরকার ৪১ বছর…বিস্তারিত
  • পর্যালোচনা নিবন্ধ
  • রাহমান চৌধুরী
    প্রথম আলো পুরস্কারপ্রাপ্ত আহমদ রফিকের দেশবিভাগ: ফিরে দেখা গ্রন্থ পাঠের প্রতিক্রিয়া এবং ইতিহাসের কাছে দায়বদ্ধতা। বাংলাদেশের অনিন্দ্য প্রকাশ থেকে প্রকাশিত আহমদ রফিকের লেখা দেশবিভাগ: ফিরে দেখা গ্রন্থটি নিঃসন্দেহে সাম্প্রতিক কালের একটি উল্লেখযোগ্য রচনা। বইটি বাংলা ১৪২০ সনে (২০১৫ ইং) ‘প্রথম আলো বর্ষসেরা’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তিই এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হওয়ার একমাত্র বড় কথা নয়, বইটি নিজগুণেই আলোচিত-সমালোচিত বা মূল্যায়িত হতে পারে।…বিস্তারিত
  • আঞ্চলিক রাজনীতি
  • আলতাফ পারভেজ
    সারসংক্ষেপ নেপালকে ভৌগোলিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: পর্বতময় চীন-সন্নিহিত অঞ্চল, স্বল্প উঁচু পাহাড়ি মধ্যাঞ্চল এবং ভারত-সন্নিহিত সমতল অঞ্চল। শেষোক্ত এলাকাটিই তরাই নামে পরিচিত। নেপালি ভাষায় ‘তরাই’ শব্দের অর্থ নিচু সমতলভূমি। সংস্কৃতে এর অর্থ ‘পাহাড়ের পাদদেশ’। পাহাড় আর পুরো সমতলের মাঝামাঝি হিসেবে এই এলাকাটি ‘মধ্যদেশ’ হিসেবে চিহ্নিত হতো অতীত থেকে। সেই ‘মধ্যদেশ’-এর বাসিন্দারাই কালক্রমে ‘মধ্যদেশি’ তথা ‘মাধেসি’। তরাইয়ের অ-পাহাড়িরাই মূলত…বিস্তারিত
  • আন্তর্জাতিক
  • এমিলি মরিস, অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
    সারসংক্ষেপ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশও বিপদে পড়ে। সাবেক সোভিয়েত ব্লকভুক্ত দেশগুলোর প্রায় সবাই পুঁজিবাদে প্রত্যাবর্তন করলেও, কিউবা সে পথ মাড়ায়নি। এর জন্য দেশটিকে কম মূল্যও দিতে হয়নি। চরম ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে দেশটি সমাজতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছে। অবশ্য এর জন্য দেশটিকে নানা সংস্কার করতে হয়েছে। কমিকন (Council for Mutual Economic Assistance-COMECON) ট্রেডিং ব্লক ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র-কিউবার পর্যবেক্ষকেরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত…বিস্তারিত
  • বই আলোচনা
  • আইরিন খান
    দ্য ফল অ্যান্ড রাইজ অব দ্য ইসলামিক স্টেট—নোআহ ফেল্ডম্যান, প্রিন্সটন: প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৮। পটভূমি ৯/১১ ও ২০১১-পরবর্তী পশ্চিম এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত বিভিন্ন দেশে শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক মতবাদ হিসেবে গণতন্ত্রের প্রসার ঘটলেও মানচিত্রের এই অংশ দীর্ঘদিন ধরে ছিল স্বৈরশাসনের অধীন। ২০১১-পরবর্তী বিভিন্ন দেশে স্বৈরশাসনের পতনের পর নতুন শাসনব্যবস্থা কী হবে তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে রয়েছে নানা মতবাদ।…বিস্তারিত
  • লে খ ক প রি চি তি
  • এম এম আকাশ অর্থনীতিবিদ ও গবেষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক। কৃষি খাত ও অর্থনীতির নানা বিষয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা—বাংলাদেশের অর্থনীতি: অতীত বর্তমান ভবিষ্যত্ (প্যাপিরাস, ২০০৪); ভাষা আন্দোলন: শ্রেণীভিত্তি ও রাজনৈতিক প্রবণতাসমূহ (ইউপিএল, ১৯৯০); [যৌথ] রিফর্ম অব স্টেট ওন্ড এন্টারপ্রাইজেস অ্যান্ড প্রাইভেটাইজেশন (পাঠক সমাবেশ ও সিপিডি, ১৯৯৮)। মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী শিক্ষক ও গবেষক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের…বিস্তারিত
pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile