protichinta

বাংলাদেশে গণতন্ত্র: এলিট বনাম জনগণ

বদরুল আলম খান

সারসংক্ষেপ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তিমানুষ ও নেতৃত্বের ভূমিকা আর্থসামাজিক পূর্বশর্তের চেয়ে কম নয়। একই সঙ্গে জনগণ এবং ব্যক্তিকে সংগঠিত করে যে রাজনৈতিক দল, তার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্রকে অনেক সময় এলিট শ্রেণি এবং জনগণের মধ্যে একধরনের ঠান্ডা লড়াই বা যাকে বলে টাগ অব ওয়ার বোঝায়। এলিট শ্রেণি স্বেচ্ছায় গণতন্ত্রের পক্ষশক্তি হয় না। গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় করে নিতে হয় এবং সেখানে জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জনগণের ভূমিকা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তার অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে তাত্ত্বিক বিতর্ক আছে। একদিকে জোসেফ সুম্পিটার বা রবার্ট ডালের মতো তাত্ত্বিকেরা জনগণের ভূমিকাকে সীমিত রাখার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে ধ্রুপদি তত্ত্ব থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেকে জনগণের ভূমিকাকে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে ভাবেন। বাংলাদেশে ব্যক্তি বা দলীয় নেতৃত্বের ভূমিকায় মিশ্র সাফল্য লক্ষণীয়। রাজনৈতিক দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেখানে বড় মাপের সংস্কারের প্রয়োজন আছে। কিন্তু তার প্রতি তেমন কোনো উত্সাহ লক্ষ করা যায় না। সিভিল সমাজের ভূমিকাও প্রশ্নবোধক। তারা মূলত আন্তর্জাতিক পুঁজির প্রবক্তা এবং দলীয়করণের দোষে দুষ্ট। সব মিলিয়ে গণতন্ত্রের ভাগ্য বাংলাদেশে এখনো তেমন সুপ্রসন্ন নয়।

মুখ্য শব্দগুচ্ছ

সিভিল সমাজ, গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত, এলিট শ্রেণি, জনগণ, জোসেফ সুম্পিটার, রুশো, লাতিন আমেরিকা।

pathok

যোগাযোগের ঠিকানা

সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা - ১২১৫।

ফোন: ৮৮০-২-৮১১০০৮১, ৮১১৫৩০৭
ফ্যাক্স - ৮৮০-২-৯১৩০৪৯৬

protichinta kinte chile